ঐতিহাসিক পটভূমিকা

বিভাগীয় শহর রাজশাহীর উপকন্ঠে মোহনপুর উপজেলার মোহনপুর তানোর রোডে খানপুর গ্রামে মহব্বতপুর খানপুর ডিগ্রী কলেজটির অবস্থান। রাজশাহী শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২২কি.মি।

১৯৯৩ সালের ১৮ এপ্রিল রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের নামে 'মহব্বতপুর কলেজ' প্রতিষ্ঠিত হয়।

মহব্বতপুর গ্রামের ডাঃ মোঃ কফিল উদ্দিন এবং মোহনপুর গ্রামের মোঃ আব্দুল হামিদ মাস্টার কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করেন।

মোহনপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও জাতীয় শ্রেষ্ট শিক্ষক প্রয়াত রাখালচন্দ্র দাশ কলেজ প্রতিষ্ঠায় পৃষ্টপোষকতা প্রদান করেন।

কলেজ স্থাপনে প্রয়োজনীয় জমির সংকুলান না হওয়ায় ১৯৯৪ সালে কলেজটি খানপুর গ্রামে স্থানান্তর করা হয় এবং এলাকার জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে এর নামকরণ করা হয় মহব্বতপুর খানপুর কলেজ।

কলেজটি ১৯৯৩-১৯৯৪ শিক্ষাবর্ষে ছাত্র ভর্তির প্রাথমিক অনুমতি এবং একই শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃতি লাভ করে। ১৬জন প্রভাষক, ০৩জন ৩য় শ্রেণির কর্মচারী এবং ০৯ জন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়ে এর অগ্রযাত্রা শুরু হয়। জনাব মোঃ আনিসুর রহমান দেওয়ান কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ। প্রভাষক হিসেবে জনাব মোঃ এরফান আলী সরকার (মনোবিজ্ঞান), জনাব মোঃ সাইদুর রহমান (পৌরনীতি), জনাব মোহাম্মদ আহাদ আলী (ইতিহাস), জনাব মোহাঃ রেজাউল করিম শেখ (ব্যবস্থাপনা), জনাব এস.এম কাসেম (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), জনাব লুৎফর রহমান (সমাজ কল্যাণ), জনাব মোঃ লুৎফর রহমান (সমাজবিজ্ঞান), জনাব মোঃ খলিলুর রহমান (হিসাববিজ্ঞান), জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম (বাংলা), জনাব শ্যামলেন্দু গোস্বামী (অর্থনীতি), জনাব মুহাঃ আব্দুল আজিজ মিঞা (পরিসংখ্যান), শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে জনাব মোঃ সেকান্দর আলী, গ্রন্থাগারিক হিসেবে জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ মিঞা, ৩য় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান, জনাব মুহম্মদ আব্দুস সামাদ সরকার এবং জনাব মোঃ আকবর আলী মন্ডল, ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে মোঃ আহাদ হোসেন, মোঃ সমসের আলী, মোঃ নওশাদ আলী, মোঃ আব্দুর রশীদ, মোঃ মুনসুর রহমান, মোঃ বাবুল আকতার, মোঃ আনারুল ইসলাম এবং মোসাঃ বিবিজান খাতুন নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

বরেন্দ্র বনভূমির সমুদ্রখ্যাত বিল কুমারী বিলের অদূরে বারনই নদীর তীরে অপরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশে কলেজটির অবস্থান।

সময়ের পরিক্রমায় ২০০৪ সালে কলেজটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্তি লাভ করে ডিগ্রী কলেজ হিসেবে বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে এবং বি.এ, বিএসএস এবং বিবিএস পাস কোর্স সমূহে পাঠ দান করা হচ্ছে।